অত্যন্ত মানবিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা। মুখ্যমন্ত্রী তা ছাড়া একাধিক দপ্তরের দায়িত্বে রয়েছেন ডাক্তার মানিক সাহা। স্বাভাবিক ভাবেই ওনার উপর কাজের চাপ বেশি। তারপরও মুখ্যমন্ত্রী অসহায়, গরিব, নিপীড়িত, নিরুপায় মানুষের কথা চিন্তা করে প্রতি বুধবার মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু অনুষ্ঠান চালু করেছেন। যাতে করে মানুষ তার সমস্যা সমাধানের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু অনুষ্ঠানের ৪৭ তম পর্ব অনুষ্ঠিত হয় বুধবার। এইদিন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু মানুষ তাদের সমস্যা সমাধানের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর সমীপেষু অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়। কেউবা আসে জায়গা সম্পত্তির সমস্যা নিয়ে, কেউবা আসে সরকারি সাহায্যের জন্য। আবার কেউ আসে চিকিৎসা সংক্রান্ত সাহায্যের জন্য। মূলত সাধারন মানুষ যখন কোন সমস্যা নিয়ে সরকারি অফিসের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হয়ে যায়, তখনই মানুষ মুখ্যমন্ত্রীর সমীপেষু অনুষ্ঠানে ছুটে যায়। এইদিন মুখ্যমন্ত্রীর সমীপেষু অনুষ্ঠানে বেশির ভাগ মানুষ আসে চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে। মুখ্যমন্ত্রী সকলের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনেন এবং স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তাকে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন। এইদিন এক অসহায় মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হন। মহিলার স্বামীর মৃত্যু হয় বেশ কয়েক বছর পূর্বে। সরকারি ভাবে মহিলা সাহায্য পাওয়ার কথা থাকলেও মহিলা তা পায় নি। প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে ঘুরতে মহিলা এক প্রকার হতাশ হয়ে পরে। অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী এইদিন মহিলার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনার পর ওনার সচিব পি.কে চক্রবর্তীকে নির্দেশ দেন সদর মহকুমা শাসকের সাথে কথা বলে মহিলা যেন সরকারি সাহায্যের টাকা পায় তার ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মহিলাকে বলেন পরবর্তী সময় ওনার সমস্যা সমাধান হয় কিনা তা পুনঃরায় মুখ্যমন্ত্রীকে জানানোর জন্য। এইদিন মুখ্যমন্ত্রীর সমীপেষু অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর সচিব পি.কে চক্রবর্তী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তা ডাক্তার তপন চক্রবর্তী, সচিব কিরণ গিত্তে, জিবি হাসপাতালের ডেপুটি এমএস ডাক্তার কনক চৌধুরী সহ অন্যান্য দপ্তরের আধিকারিকরা।













