April 15, 2026 11:36 pm

দেশব্যাপী ধর্মঘটের তেমন কোন প্রভাব পড়ল না রাজ্যে।

দেশের ১০ টি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন বুধবার দেশ জুড়ে সাধারন ধর্মঘটের ডাক দেয়। ধর্মঘটকে সফল করার জন্য এক মাস আগে থেকে ধর্মঘটের সমর্থনে প্রচার চালিয়ে যায় বামপন্থী শ্রমিক সংগঠন গুলি। তবে বুধবার রাজ্যে ধর্মঘটের তেমন কোন প্রভাব পরে নি। রাজধানী আগরতলা শহরে দেখা যায় দোকান পাট খোলা। খোলা ছিল অফিস আদালত সবকিছুই। রাস্তায় নামে যান বাহন। তবে অন্যান্য দিনের তুলনায় যান বাহনের সংখ্যা খুবই কম ছিল। রাস্তায় যানবাহন থাকলেও যাত্রীর সংখ্যা একেবারে ছিল না বললে চলে। একাংশ যান চালকরা যান বাহন নিয়ে রাস্তায় নামলেও তারা নিজ মুখে জানান ধর্মঘটকে নৈতিক ভাবে তারা সমর্থন করেন। শুধুমাত্র পেটের দায়ে যানবাহন নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন। এক দোকানদার জানান দোকান বন্ধ রাখলে ওনার সংসার কি ভাবে চলবে। তাই দোকান খুলেছেন। তবে দোকান বন্ধ রাখার জন্য কেউ কোন চাপ দেয় নি। পথ চলতি এক ব্যক্তি জানান ধর্মঘটের তেমন কোন প্রভাব পরে নি। দোকান পাট খোলা রয়েছে। যান বাহন চলছে। এই দিনের ধর্মঘটের কোন যুক্তি নেই বলে জানান। পশ্চিম জেলার পুলিশ সুপার কিরণ কুমার কে জানান ধর্মঘটের কোথাও কোন প্রভাব পড়েনি। স্কুল কলেজ অফিস আদালত সবকিছু খোলা রয়েছে। সব কিছু স্বাভাবিক রয়েছে। পশ্চিম জেলার ধর্মঘটের সমর্থনে কোথাও পিকেটিং করা হয় নি। কোথাও কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে নি। জায়গায় জায়গায় সিআরপিএফ, টিএসআর ও পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা রয়েছে। এইদিন নাগেরজলা, রাধানগর, চন্দ্র পুর আইএসবিটি থেকে কিছু কিছু দূর পাল্লার গাড়ি ছারলেও মাঝ রাস্তা থেকে গাড়ি গুলি ফিরে আসে। কারন রাস্তায় ছিল না যাত্রী। অর্থাৎ সাধারন মানুষ এইদিনের ধর্মঘটকে নৈতিক ভাবে সমর্থন করেছে। একাংশ দোকান মালিকও ধর্মঘটকে সমর্থন জানিয়ে দোকান পাট বন্ধ রেখেছে। সব মিলিয়ে ধর্মঘটের কোন প্রভাব না পড়লেও মানুষ নৈতিক ভাবে ধর্মঘটকে সমর্থন করেছে।

Leave a Comment

और पढ़ें

best news portal development company in india

Cricket Live Score

Corona Virus

Rashifal

और पढ़ें