কমলপুরের মানিক ভান্ডারে একটা সময় প্রায় ১৬২ কানির অধিক জায়গা জুড়ে ছিল বিমান বন্দর। বিমান বন্দরের রানওয়ে ছিল প্রায় দুই কিলোমিটারের অধিক। সেই সময় এই বিমান বন্দর থেকে বিমান চলাচল করতো। কমলপুর-আগরতলা, কমলপুর-কলকাতা বিমান চলাচল করত। কমলপুড়ে সেই সময় লোকসংখ্যা তেমন একটা না থাকলেও যারা ছিল তারা সেই সময় কলকাতা আগরতলা বিমানের মাধ্যমে জাতায়ত করত। ১৯৯১ সালের শেষ দিকে এই বিমান বন্দরে বিমান উঠা নামা বন্ধ হয়ে যায়। বিমান বন্দরটি যখন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল তখনও বিমান বন্দরে বেশ কয়েকটি কোয়ার্টার ছিল। বর্তমানে সেই সকল কোয়ার্টারের অস্তিত্ব খুজে পাওয়া দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে কমলপুড়ে বৃদ্ধি পেয়েছে জনসংখ্যা। আর সময়ের তাগিদে পুনঃরায় মানিক ভাণ্ডার বিমান বন্দর পুনরায় চালুর দাবিও উঠে। নির্বাচন আসলে রাজনৈতিক দলের নেতারা জনগনকে আশ্বাস দেন ক্ষমতায় আসলে বিমান বন্দরটি চালু করা হবে। ১৯৯১ সাল থেকে এই সময়ের মধ্যে বামেরা ক্ষমতায় বসেছে। আবার ক্ষমতাচ্যুতও হয়েছে। ২০১৮ সালে রাজ্যে ক্ষমতা দখল করে বিজেপি। কিন্তু কমলপুর বাসীর দাবি এখনো পূরণ হয় নি। এইদিকে পরিত্যক্ত মানিক ভাণ্ডার বিমান বন্দর থেকে রাতের অন্ধকারে চোরেরা একে একে খুলে নিয়ে যাচ্ছে সকল ইট। ইতিমধ্যে বিমান বন্দরে থাকা কোয়ার্টারের সকল ইট খুলে নিয়ে গেছে চোরেরা। এলাকার এক ব্যক্তি জানান প্রায় প্রতিদিন রাতের বেলায় চোরেরা পরিত্যক্ত বিমান বন্দর থেকে ইট তুলে নিয়ে যাচ্ছে। তিন থেকে চারটি কোয়ার্টার ছিল, সেই গুলি থেকে ইতিমধ্যে সকল ইট খুলে নিয়ে গেছে। বর্তমানে বিমান বন্দরের রানওয়েতে থাকা ইট গুলি খুলে নিয়ে যাচ্ছে। এই বিষয়ে পুলিশকেও জানানো হয়েছে। কিন্তু পুলিশ গিয়ে কাউকে পায় না। তিনি আরও জানান এলাকাবাসিদের দাবি এই বিমান বন্দরটি পুনঃরায় চালু করা হোক। কমলপুরের মানিক ভাণ্ডার বিমান বন্দরটি আদৌ আর কোন দিন চালু হবে কিনা তা নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। তারপরও কমলপুরবাসি আসায় রয়েছে সময়ের কথা বিবেচনা করে সরকার পুনঃরায় মানিক ভাণ্ডার বিমান বন্দরটি চালু করার বিষয়ে উদ্যোগী হবে। এখন দেখার কমলপুরবাসীর স্বপ্ন পূরণ হয় কিনা।













