প্রদেশ মহিলা মোর্চার উদ্যোগে সোমবার অনুষ্ঠিত হয় মক পার্লামেন্ট। দেশের জরুরী অবস্থার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে এই মক পার্লামেন্টের আয়োজন করা হয়। রাজধানীর মুক্তধারা প্রেক্ষা গৃহে আয়োজিত মক পার্লামেন্টে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা। তিনি অনুষ্ঠানে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন মক পার্লামেন্ট কর্মসূচি দেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতির মস্তিস্ক প্রসুত। মক পার্লামেন্টে যারা অংশগ্রহণ করবে তারা দেশের জরুরী অবস্থায় বিষয়ে পড়ালেখা করে এসেছে। মক পার্লামেন্টে সরকার পক্ষ ও বিরোধী পক্ষ থাকবে। তারা তর্ক বিতর্ক করবে। যারা ভালো ফলাফল করবে তাদের পুরুস্কার প্রদান করা হবে। দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী নিজের স্বার্থে দেশে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেছিলেন। ইন্দিরা গান্ধী তৎকালীন রাষ্ট্রপতির উপর চাপ দিয়ে দেশে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করিয়েছিলেন। তাই এই দিনটিকে সংবিধান হত্যা দিবস হিসাবে পালন করা হয়। দেশে জরুরী অবস্থা জারি করে সংবিধানের উপর কুঠারাঘাত করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। দেশে জরুরী অবস্থা চলাকালীন সময় নিসা আইনে বহু মানুষকে জেলে পুড়ে দেওয়া হয়েছিল। ১৯৭৫ সালের ২৫ মধ্যরাতে দেশে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছিল। পরবর্তী সময় ২৬ জুন সকালে ইন্ধিরা গান্ধী রেডিও-র মাধ্যমে জরুরী অবস্থার ঘোষণা করেন। তৎকালীন সময় নিসা আইনের অপব্যবহার করা হয়েছিল। এই নিয়ে পরবর্তী সময় দেশ জুড়ে তীব্র আন্দোলন শুরু হয় বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা। তিনি আরও জানান দেশে জরুরী অবস্থার সময় যারা নির্যাতনের শিকার হয়েছিল তাদের জন্য এই মক পার্লামেন্ট কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এইদিনের মক পার্লামেন্টে মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য, প্রদেশ মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী মিমি মজুমদার।













